বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম।
আচ্ছালামুয়ালাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারকাতুহু।
প্রিয় সাথী বৃন্দ আপনারা সবাই কেমন আছেন। আশা করি আল্লাহর রহমতে আপনারা সবাই ভাল আছেন। আমিও আল্লাহর রহমতে ভাল আছি আলহামদুলিল্লাহ।
রোজ খেজুর খেলে যেসব রোগ থেকে মুক্তি মিলবে তা আমরা দেখে নেই। যেমনঃ খেজুরে বিভিন্ন পুষ্টিগুণে ভরপুর খেজুরে রয়েছে। তার মধ্যে ভিটামিন, আঁশ, ক্যালসিয়াম, আয়রন, ফসফরাস, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও জিঙ্ক ইত্যাদি।
এই খেজুর একজন সুস্থ মানুষের শরীরে আয়রনের চাহিদার প্রায় ১১ ভাগই পূরণ করে সেই কারনে প্রতিদিন খেতে পারেন খেজুর।
বিভিন্ন পুষ্টিবিদদের মতে, শরীরের প্রয়োজনীয় আয়রনের অনেকটাই খেজুর থেকে আসে এবং ডায়াবেটিস থাকলে প্রচলিত খেজুরের বদলে শুকনো খেজুরকে ডায়েটে রাখতে বলেন।
খেজুর সুস্বাদু আর বেশ পরিচিত একটি ফল। যা সাধারনত ফ্রুকটোজ ও গ্লাইসেমিক থাকে। এই উপাদান রক্তে শর্করার পরিমাণ বাড়ায়। এই খেজুর ফলকে চিনির বিকল্প হিসেবে ধরা হয়ে থাকে। এই খেজুরের পুষ্টি উপাদান সম্পর্কে জানা যায় যে, চারটি বা ৩০ গ্রাম পরিমাণ খেজুরে আছে ৯০ ক্যালোরি, এক গ্রাম প্রোটিন, ১৩ মিলি গ্রাম ক্যালসিয়াম, ২.৮ গ্রাম ফাইবার এবং আরও অন্যান্য পুষ্টি উপাদান রয়েছে ।শক্তির উৎস এর মধ্যে একটি ভালো খেজুর । তাই এই খেজুর খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই শরীরের ক্লান্তিভাব দূর হয়ে থাকে এবং আছে প্রচুর ভিটামিন বি, যা ভিটামিন বিসিক্স মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হয়ে থাকে।
তাই আমরা সকলে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় রাখতে পারি এই খেজুর। যা আয়রনে ভরপুর খেজুর খেতে পারেন প্রতিদিন। যদি অন্তত দুটি খেজুর যদি প্রতিদিন খান তবে অনেক রোগ কাছেও ঘেঁষবে না।
খেজুরের উপকারিতাঃ-
*** এই খেজুরে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন, খনিজ, ক্যালসিয়াম ও পটাশিয়া। খেজুরে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরে রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বাড়ায়।
*** এই খেজুরে ফাইবারও মিলবে এবং তাই এই ফল ডায়েটে রাখতে পারেন।
*** প্রতিটি খেজুরে রয়েছে ২০ থেকে ২৫ মিলিগ্রাম ম্যাগনেসিয়াম, যা আমাদের উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে।
*** একজন সুস্থ মানুষের শরীরে যতটুকু আয়রন প্রয়োজন এবং তার প্রায় ১১ ভাগ পূরণ করে এই খেজুর।
*** আমরা যারা চিনি খাই না তারা খেজুর খেতে পারেন এবং চিনির বিকল্প খেজুরের রস ও গুড়।
*** যদি কেহ কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় রাতে পানিতে খেজুর ভিজিয়ে রাখুন এরপর দিন সকালে খেজুর ভেজানো পানি পান করেন তবে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হবে ।
*** এই খেজুরে থাকা নানা খনিজ হৃদস্পন্দনের হার ঠিক রাখতে সাহায্য করে।
*** এই খেজুরে লিউটেন ও জিক্সাথিন থাকায় তা রেটিনা ভালো রাখে।
আজকে এ পযন্তই,আল্লাহ হাফেজ।


