
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম ।
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়াবারকাতুহু
প্রিয় সাথী বৃন্দ,
আশা করি আপনারা সবাই আল্লাহর রহমতে ভালো আছেন আমিও আপনাদের দোয়া এবং মহান আল্লাহতালার অশেষ মেহেরবান ভালো আছি সুস্থ আছি। আজকে আমি এক আরবের শিশু হসপিটাল আশা নিয়ে কিছু কথা আপনাদের সাথে শেয়ার করতে চাই এই পোস্টটা আপনাদের সকলকে স্বাগতম এবং অভিনন্দন।

প্রত্যেক শিশুর জন্ম গ্রহণ করে একবারে নিষ্পাপ হয়ে। এই নিষ্পাপ শিশু তখন সে তার মা-বাবাকে একমাত্র বেশি চেনে অর্থাৎ তার মাকে বেশি জেনে তারপর তার বাবাকে বেশি চেনে এরপর দাদা দাদী নানা নাই এবং আরো আশেপাশে যে কোন মানুষ আছে তাদেরকে একটু একটু করে চিনতে থাকে।

আজকালের শিশুর স্মৃতিশক্তি অত্যান্ত প্রকার থাকে এবং সহজে আবার ভুলে যায়। কোন কিছু সঠিকভাবে ব্যবহৃত ধরে রাখতে পারে না আবার সেই জিনিস যদি দেখে তবে আবার তার প্রতিটা আবার হয়তো বা কিছুটা মনে করে।

যে শিশুটি নিয়ে কথা বলবে এই শিশুর বাবার বাড়ি বাংলাদেশের দক্ষিণ এ হাতিয়া দ্বীপে। ওর দাদা অসুস্থ তাই সে বাংলাদেশের একমাত্র পঙ্গু হসপিটালে এসেছে সাথে ওর মা এবং ওর বাবা এসেছে। ওর বয়স ৬ মাস। ওকে আর কোথায় রেখে আসবে কারণ ও মায়ের দুধ খেয়ে বেঁচে থাকে। অন্য কিছু খায় না। সেই সুবাদে সে মায়ের সাথে সুদূর পথ পাড়ি দিয়ে এই হসপিটালে এসেছে। সে অত্যন্ত হাসিখুশি একটা সন্তান অর্থাৎ শিশু।

সে এই পরিবেশে এসেছে এবং পরিবেশে দেখতেছে কত মানুষ কান্নাকাটি করে কত মানুষ চলাফেরা করতেছে কত ডাক্তার এসে রোগীদের দেখতেছে এই পরিবেশগুলো এসে এখনো অবলোকন করিতেছে। সে আসলে জানে না এখানে কি হচ্ছে শুধু সে জানে তার মা-বাবা সাথে আছে এবং আশেপাশে পরিবেশ গুলো অবলুপ দৃষ্টিতে চেয়ে দেখছে।

আসলে এ পরিবেশে শিশুটি আনা ঠিক হয়নি কারণ এই পরিবেশ তার মনের বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে। তাই আমরা যারা শিশুসন্তানকে নিয়ে হসপিটাল বা পাবলিক প্লেসে যায় এমন কোন পরিবেশে যাওয়া উচিত নয় যেখানে শব্দ দূষণ বায়ু দূষণ পরিবেশ দূষণ এমন জায়গায় নেওয়া ঠিক হবে না। কারণ তারা বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে যেতে পারে।

তাই আমাদের উচিত এমন শিশুকে কখনো আমরা এমন জায়গায় নিয়ে যাব না যে জায়গায় নিয়ে তার মানসিক এবং স্বাস্থ্যের ঝুঁকি হতে পারে। আমরা যদি একটু সচেতন হয় তবে আমরা আমাদের শিশুকে এমন পরিবেশ থেকে বাঁচাতে পারবো। আজকের মত এখানেই শেষ ক
রছি আল্লাহ হাফেজ।


