বিসমিল্লাহির রহমানের রাহিম।
আসসালামুআলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি বারকাতুহু।
আজকে আমি একটা বহুল আলোচিত সমালোচিত ঘটনা ধাঁধা বলতে পারেন যা হলো মুরগি আগে না ডিম আগে এই বিষয়ে কিঞ্চিৎ আলোকপাত করার চেষ্টা করব ইনশাল্লাহ।
আসলে পৃথিবীতে মুরগি আগে এসেছে নাকি ডিম আগে এসেছে এর সমাধান অতি সহজে আমরা দিতে পারি সেটা ইসলামের ধারণা মতে আর এই পৃথিবীতে ইসলামই একমাত্র সত্য ধর্ম এবং এর গ্রন্থ কুরআনুল কারীম আল্লাহ প্রদত্ত কিতাব এর মধ্যে কোন প্রকার সন্দেহ অবকাশ নেই কারণ পৃথিবী সৃষ্টির আগে থেকে শুরু করে অদ্যবধি পর্যন্ত ইতিহাস এই কোরআনে আল্লাহ তাআলা উল্লেখ করেছেন। এমন কোন ইতিহাসবিদ নেই এমন কোনো ইতিহাস বই নেই যে পৃথিবীর শুরুর আগ থেকে অদ্যবধি পর্যন্ত কোন ইতিহাস কেউ বলতে পেরেছে। তাই মুরগি আগে না ডিম আগে এই বিষয়ে আমাদের সহজ উত্তর আমরা ইসলাম থেকেই গ্রহণ করতে পারি নিঃসন্দেহে এর মধ্যে কোন সন্দেহের অবকাশ নেই।
তবে অনেক বিজ্ঞানী অনেক মতামত প্রকাশ করেছেন এবং তারা সবাই প্রায় বলেছে ডিম আগে এসেছে মুরগী পরে যেমনঃ এ ব্যাপারে অনেক বিজ্ঞানী অনেক গবেষণা করেছেন আর গবেষণার ফল হিসেবে আমরা এখন তুলে ধরব এক মার্কিন সাংবাদিকের তথ্য। মার্কিন সাংবাদিক রবার্ট ক্রুলউইচ তার ওয়েবসাইটে লিখেছেন যে, কয়েকশো বছর আগে পৃথিবীতে ছিল মুরগির মতো দেখতে একটি বড় আকারের পাখি। সেই পাখির সঙ্গে মুরগির জিনগত মিল ছিল। কিন্তু সেটি মুরগি ছিল না। বিজ্ঞানীদের বক্তব্য, সেটি ছিল এক ধরনের ‘প্রোটো-চিকেন’। সেই পাখি একটি ডিম পেড়েছিল। সেই ডিমে মুরগির পুরুষসঙ্গী কিছু নতুন বৈশিষ্ট্য যোগ করে। তার পর আরও কিছু বিবর্তনগত পরিবর্তন ঘটে সেই ডিমে। সেই পরিবর্তন তখনকার সেই পুরুষ কিংবা নারী মুরগির জিন থেকে বেশ কিছুটা আলাদা।
ডিম আগে না মুরগী আগে এ ব্যাপারে ইসলামিক ধারণামতে মুরগী আগে আমাদের আদি পিতা হযরত আদম (আঃ) । তাকে আল্লাহ পাক পিতা মাতা ছাড়া সৃষ্টি করছে এবং যুবক বয়স দান করছে এবং এ পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন। তার সন্তান হলাম আমরা, এজন্যই আমাদের বলা হয় আদম সন্তান। এখন সেই সূত্রে প্রমাণিত হয় মানুষের মত সকল জীবের জম্ম মানুষ সৃষ্টির অনুরূপ। আদম (আঃ) এর মাধ্যমে আমরা এ পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন ঠিক তেমনী ভাবে মুরগি আগে আল্লাহ তায়ালা পাঠাইয়া ছিলেন এবং পরে মুরগী থেকে পরে ডিম এসেছে। অতঃপর আমরা নির্দ্বিধায় বলতে পারি" ডিম নয়, মুরগি আগে"
আমরা যত সমস্যার সম্মুখীন হব যদি আমরা কুরআন এবং নবীর হাদীস এর দিকে তাকায় তবে তার সঠিক সমাধান পাওয়া সম্ভব। আল্লাহ হাফেজ।


