রোমজান এর রোজা আমদের তাকওয়া অজনের গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়া।(শেষ অংশ)

alim236

বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম। 

আচ্ছালামুয়ালাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারকাতুহু।

প্রিয় সাথী বৃন্দ আপনারা সবাই কেমন আছেন। আশা করি আল্লাহর রহমতে আপনারা সবাই ভাল আছেন। আমিও আল্লাহর রহমতে ভাল আছি আলহামদুলিল্লাহ।

 

হাদিসে আছে যে, তোমাদেরকে অভুক্ত রাখার কোন ইচ্ছা আল্লাহতায়ালার নেই। মহান আল্লাহ তো বলেছেন, "তোমরা যে সমস্ত ভুল-ভ্রান্তি করেছ, তার কুফল থেকে নিজেদেরকে রক্ষা করার জন্য আমি তোমাদের জন্য পথ দেখিয়ে দিয়েছি। যেন তোমরা বিশুদ্ধচিত্তে তওবা করে পুণরায় আমার কাছে আসতে পার"। মহান আল্লাহ আরও বলেছেন "তোমরা রমজানের এ পবিত্র মাসে যথাযথভাবে রোজা রাখ, আমার খাতিরে তোমরা হালাল বস্তু, হালাল জিনিস গ্রহণ করা থেকে বিরত থাক, তোমাদের এ প্রচেষ্টার ফলে আমি তোমাদের প্রতি রহমতের দৃষ্টিপাত করব এবং শয়তানকে বেঁধে রাখব"। মহান আল্লাহ আরও বলেছেন যে, তোমরা যেন এ ভয়ের কারণে রোজা পালন কর, রোজার আড়ালে নিজেকে রেখে তাকওয়া অবলম্বন করে নিজেদেরকে নিরাপদ কর, যেন শয়তান তোমাদের ক্ষতি সাধন করতে না পারে।

 

এই রোজা হলো তাকওয়া অবলম্বনের ঢাল সরুপ এবং তাকওয়া এবং ঢাল এর আড়ালে গিয়ে শয়তানের আক্রমণ এবং পাপকর্ম করা থেকে নিজকে বিরত রাখার চেষ্টা করা এবং রোজা রাখার ফলে তোমরা নিরাপদ হতে পার। এই সংগ্রাম করে আমরা আল্লাহর নিরাপদ আশ্রয়ে এসে যাব ইনশাআল্লাহ । তাই আমাদের এই আশ্রয়স্থল এই তাকওয়াকে সৎকর্ম দ্বারা আল্লাহ্র আদেশ নির্দেশ মেনে চলার মাধ্যমে আরো মজবুত করতে হবে।

 

আমরা যারা পূর্বে থেকেই পুণ্যের ওপর  প্রতিষ্ঠিত আছি, তাদের এই পবিত্র রোজার মাধ্যমে তাকওয়ার মান আরো বৃদ্ধি করে আল্লাহর নৈকট্য লাভ করতে সহজতর হবেই ইনশাআল্লাহ ।

 

আমাদের সবাইকে ভালভাবে মনে রাখতে হবে যে, রমজান মাসের রোজা কেবল এতটুকুই না যে, নির্দিষ্ট সময় খানা-পিনা থেকে বিরত থাকলেই আমরা তাকওয়া অর্জন করতে পারবো, বিষয়টি এমন নহে। বরং পরিপূন তাকওয়া অর্জন করতে হলে প্রকৃত অর্থে রোজাও রাখতে হবে এবং বেশি বেশি ইবাদত-বন্দেগিতে রত হতে হবেই। সেই সাথে সব ধরনের  মন্দ কাজ বা গুনার কাজ অবশ্যই ছেড়ে দিতে হবেই।

 

মহান আল্লাহতায়ালা আমাদেরকে মাহে রমজানের কল্যাণে পরিপূন তাকওয়া অর্জনের তৌফিক দান করুন, আমিন

আল্লাহ হাফেজ। 

Comments