বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম।
আচ্ছালামুয়ালাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারকাতুহু।
প্রিয় সাথী বৃন্দ আপনারা সবাই কেমন আছেন। আশা করি আল্লাহর রহমতে আপনারা সবাই ভাল আছেন। আমিও আল্লাহর রহমতে ভাল আছি আলহামদুলিল্লাহ।
আমি আজকে লবঙ্গ ও লবঙ্গ গুড়ার এর উপকারিতা নিয়ে আজকে এই পোস্টটি সাজিয়েছি। এই পোস্টেটি দুটি পবে ভাগ করেছি। প্রথম পবে আপনাদের সবাইকে স্বাগতম।
লবঙ্গ হলো মূলত লবঙ্গ গাছের ফুলের কুড়ি বৈ আর কিছু নহে । এই লবঙ্গ গাছের বৈজ্ঞানিক নাম হলো Syzygium aramaticum.
পৃথিবীর অনেক দেশেই এখনো লবঙ্গকে হারবাল জাতীয় ঔষধ হিসেবে বিবেচনা করে থাকে। আসলে লবঙ্গের উপকারিতার জন্যই এর এতো চাহিদা,ব্যপক ব্যবহার এবং এত জনপ্রিয়তা।
লবঙ্গের উপকারিতাগুলো সমূহঃ
আমাদের দাঁতের ব্যথা কমাতে লবঙ্গের ব্যবহার বমি বমি ভাব দূর করে, সর্দি-কাশি ভালো করে, ঠান্ডা লাগা কমায়, মাথা ব্যথা-যন্ত্রনা কমায়, পেঁটের অসুখ দূর করে, সাইনাসের ইনফেকসন হ্রাস করে,ব্রণের চিকিৎসায় লবঙ্গ, লবঙ্গ রক্ত পরিশোধন করে, খাবারের প্রতি রুচি বৃদ্ধি করে, খাদ্য হজমে সহায়তা করে, ডায়াবেটিস রোগ নিয়ন্ত্রণে, লবঙ্গ মুখের বিশ্রী গন্ধ দূর করে,জ্বরের প্রকোপ হ্রাস করে, ত্বকের যত্নে লবঙ্গ, লিভার ভালো রাখতে, লবঙ্গ হাড় শক্ত করে,ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে এই লবঙ্গ।
এগুলো ছাড়াও আরো অনেক রকমের উপকার রয়েছে এই লবঙ্গ নামক মসলার। তবে আজকের আলোচনায় লবঙ্গের উপকারিতা সহ আলোচনা করা হবে।
### দাঁতের ব্যথা কমাতে লবঙ্গের ব্যবহারঃ- লবঙ্গে আছে উপকারী অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি। আর এই অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি উপাদানটি সাধারণত আমাদের দাঁতের ব্যথা হ্রাস করতে ব্যাপক ভূমিকা রাখে।এই গুরুত্বপূর্ণ উপাদান শরীরের প্রবেশ করার পর কিছু বিশেষ বিক্রিয়া ঘটায় যা মূহর্তেই দাঁতের যন্ত্রণা দূর করে থাকে। বাজারে অবস্থিত প্রায় সব টুটপেস্টেই লবঙ্গের মধ্যে বিদ্যমান থাকা উপাদানগুলো ব্যবহার করে। এছাড়াও এই লবঙ্গ দাঁতের মাড়ি ক্ষয় দূর করে। ক্ষয় হওয়া মাড়ি পুনরায় গঠনে লবঙ্গ বেশ জোড়ালো ভূমিকা রাখে।
অথাৎ বুমিই হবে না। এছাড়াও গর্ববর্তী মায়েদের জন্য রয়েছে আরো চমকপ্রদ সুফল। গর্ববর্তী মায়েদের জন্য এই লবঙ্গ হলো আশির্বাদসরূপ। প্রায় প্রতিদিন সকালে তাদের বমি বমি ভাব হয়। এহেন আবস্থায়,সকাল বেলায় একটি অথবা দুইটি লবঙ্গ চষতে হবে ফলে লবঙ্গের সুগন্ধে বমি বমি ভাব দূর হয়ে যাবে।
সর্দি-কাঁশি ভালো করতে লবঙ্গঃ- প্রাচীনকাল থেকেই লবঙ্গ ব্যবহৃত হয়ে আসছে সর্দি কাঁশি ঠান্ডা লাগা, নিমোনিয়া ইত্যাদি চিকিৎসায় ব্যাপক প্রচলন ছিল। আমরা প্রতিদিন লবঙ্গ চিবিয়ে কিংবা বেঁটে লবঙ্গের রস খেলে দেহ থেকে সর্দি-কাঁশি দূর হয়ে যায় ।
ঠান্ডা লাগা কমাতে লবঙ্গের ব্যবহারঃ-ঠান্ডা লাগা কমাতে লবঙ্গকে চিবিয়ে খেতে হবে অথবা বেঁটে এর রস খেতে হবে। এভাবে কয়েকদিন নিয়মিত খেলেই বুকে ঠান্ডা লাগা দূর হয়ে যাবে।
বাদ বাকি দ্বিতীয় পর্বে আমরা আলোচনা করবো ইনশাআল্লাহ।


