সরিষার তৈল এর গুনাগুন সমুহ।

alim236

বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম।

আচ্ছালামুয়ালাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারকাতুহু।

প্রিয় সাথী বৃন্দ আপনারা সবাই কেমন আছেন। আশা করি আল্লাহর রহমতে আপনারা সবাই ভাল আছেন। আমিও আল্লাহর রহমতে ভাল আছি আলহামদুলিল্লাহ।

আজকের পোস্টে সরিষার তৈল এর পুষ্টিগুণ নিয়ে আজকের পোস্টটি। এ পোস্টে আপনাদের সবাইকে স্বাগতম

 

সরিষার তেল যেমন আমাদের চুলের জন্য উপকারী, ঠিক তেমনই এই তেল আমাদের স্বাস্থ্যের জন্যও অনেক ভালো। আমরা যদি সয়াবিন তেলের তুলনায় সরিষার তেল খাওয়া বেশি স্বাস্থ্যকর। তবে ওজন কমাতেও কি সাহায্য করে এই তেল?

শুধু সরিষার তৈল নহে বরং সব তেলেই স্যাচুরেটেড ও আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকে। এই ফ্যাট দুইটির মধো স্যাচুরেটেড ফ্যাট আমাদের শরীরের জন্য খারাপ হলেও, আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট আবার শরীরের জন্য উপকারী হয়ে থাকে।

এই ধরনের ফ্যাট কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে । এজন্য প্রাই সকল চিকিৎসকরা একেবারেই অর্গ্যানিক সরিষার তেল খাওয়ার পরামর্শ দেন। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, ঘানি ভাঙানো সরিষার তেল সবচেয়ে ভালো হয়ে থাকে।

সরিষার তেল স্বাস্থ্য এবং ত্বকের জন্যেও ভালো। অস্বাস্থ্যকর তেল যেমনঃ সয়াবিন তৈল, পাম তৈল ইত্যাদি তৈল খাওয়ার জন্য বিশ্বব্যাপী মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ হলো হার্টের অসুখ। এক সমীক্ষায় দেখা গেছে যে, সরিষার তেল মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিডযুক্ত, যা আমাদের শরীরের কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায় ও সিএইচডি’র ঝুঁকি কমায়।

 

সরিষার তেল যেভাবে ওজন কমায়ঃ- সরিষার তৈল আমাদের হার্ট, হাড়, হজম ও স্নায়ুতন্ত্রের জন্য স্বাস্থ্যকর। এই সরিষার তৈল এমনোস্যাচুরেটেড ও পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে, যা আমাদের পেটের বিভিন্ন সমস্যার কারনে যদি প্রতিদিনের রান্নায় সরিষার তেল ব্যবহার করলে উপকার পাওয়া যায়।

এই সরিষার তৈল হজমশক্তি বাড়ায় এবং খাবার দ্রুত হজম হতে সহায়ক ফলে ওজনও নিয়ন্ত্রণে থাকে। এই সরিষার তৈলে থাকে ওমেগা-৩ ও ওমেগা-৬ ফ্যাটি অ্যাসিড। এছাড়াও সরিষার তেল লিভারের কার্যকারিতাও উন্নত করে।

স্বাস্থ্যকর ফ্যাটি অ্যাসিড শুধু খাবারের স্বাদই বাড়ায় না বরং আমাদের রক্তে চর্বির মাত্রাও হ্রাস করে। ওমেগা-৬ ফ্যাটি অ্যাসিড প্রাকৃতিকভাবে শরীরে সঞ্চিত বাদামি চর্বির ব্যবহার বাড়াইয়া থাকে।

 

সরিষার তেলের উপকারিতা

 

এই সরিষার তেলে আছে মনোস্যাচুরেটেড ও পলিঅনস্যাচুরেটেড ফ্যাট, যা হার্টের স্বাস্থ্যের জন্য দারুণ উপকার।

এই সরিষার তেল শরীরের ভালো কোলেস্টেরল বৃদ্ধিতেও সহায়ক।

গ্লুকোসিনোলেটের উপস্থিতির কারণে সরিষার তেলের ক্যানসার বিরোধী বৈশিষ্ট্য আছে।

এইসরিষার তৈল এইউপাদানগুলো কলোরেক্টাল ও গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনালের মতো ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়।

এই সরিষার তেল রান্নার পাশাপাশি আরও অনেক উপায়েও ব্যবহার করা যায়।

এই গরম সরিষার তৈল দিয়ে জয়েন্টগুলোতে ম্যাসাজ করলে অস্বস্তি অনেকাংশে কমে যায়।

আসুন আমরা সবাই এই সরিষার তৈল ব্যবহার করে অতিরিক্ত মেদ হইতে বেঁচে থাকি। আল্লাহ হাফেজ।

Comments